অনেক দিনের আগের একটা কথা মনে পড়লো। আমার এক বন্ধুর মা আমার স্ত্রীকে বলেছিলেন। গ্রাম থেকে কাজ করার জন্য একটা মেয়ে নিয়ে আসলে বেশী দিন থাকতে চায় না। কোনো রকমে ছয় মাসও টিকতে চায় না। যতই আদর-যত্ন করি, ভালো খাবার-দেই তাও সুযোগ পেলে একবার গ্রামের বাড়ী গেলে আর আসে না। তখন আর একজনের খোঁজ করতে হয়। আসলে অল্প বয়সী একটা কিশোরী মেয়ে তার বাড়ীতে যতই দারিদ্র্য থাকুক, সেটা তার নিজের বাড়ি, মাঠে থেলে দৌঁড় দিয়ে মায়ের কাছে গিয়ে ভাত চায়। মা শাক-কচুর ডাটি যাহোক একটা কিছু দিয়ে ভাত দেয়। তাই অমৃত সমান। শহরে তার স্বাধীনতা নাই। ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়। এই বুঝি কিছু একটা ভুল হলো। আসলে শহরের সায়েবদের বাড়ীতে পরাধীনতার চেয়ে এই কিশোরীটির নিকট স্বাধীনতা, অন্তত পক্ষে স্বাধীনভাবে কথা বলা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটা সবক্ষেত্রে সত্য। কিন্তু আমরা বুঝতে পারি না। উপর থেকে চাপিয়ে দেয়া কোনোই কিছুই আখেরে টেকসই হয় না।
পরকীকরণ: মার্কসের তত্ত্বের ভূমিকা
পরকীকরণ: মার্কসের তত্ত্বের ভূমিকা মূল: ডান সয়াইন অনুবাদ: স ম আজাদ [অনুবাদকের কথা: ডান সয়াইন গ্রেট ব্রিটেনের University of Essex থেকে দর্শনে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন ২০১৫-তে। তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল “Marx's Ethics of Self-emancipation”। তাঁর একমাত্র প্রকাশিত গ্রন্থ “Alienation: An Introduction to Marx's Theory”। এটি ২০১২-তে প্রকাশ করে ব্রিটেনের সমাজতান্ত্রিক প্রকাশনালয় Bookmarks। তিনি একসময় লন্ডন থেকে প্রকাশিত সমাজতান্ত্রিক তত্ত্বের কোয়াটারলি জার্নাল International Socialism-এর সম্পাদনা বোর্ডে ছিলেন। বর্তমানে প্রাগে অবস্থিত চেক ইউনিভার্সিটি অব লাইফ সাইয়েন্সেস-এ অধ্যাপনা করছেন। এছাড়া চেক একাডেমি অব সাইয়েন্সেস-এ রিসার্চ ফেলো হিসেবেও গবেষণা করছেন। এই গ্রন্থের বাংলা অনুবাদের শিরোনাম দিয়েছি পরকীকরণ: মার্কসের তত্ত্বের ভূমিকা। ডান সয়াইন গ্রন্থটি লিখেছেন এ্যাকটিভিজমের এতিহ্য থেকে। শ্রেণীবিভক্ত সমাজের যাত্রা শুরু থেকেই বিছিন্নতা তথা পরকীকণের যাত্রা। দাস সমাজে দাসশ্রেণী সকল মনুষ্য-অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন, অর্থাৎ পরকায়...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন