মার্কসবাদ এবং শিল্প মূল : জুডি কক্স অনুবাদ : স ম আজাদ [ অনুবাদকের কথা : জুডি কক্সের মূল প্রবন্ধটির শিরোনাম “ Marxism and art—What makes an artwork great? ” । প্রবন্ধটি লন্ডন থেকে প্রকাশিত Socialist Worker- Gi Sunday 15 March 2026, 2997 নং সংখ্যায় ছাপা হয়। প্রবন্ধটির বাংলা অনুবাদে শিরোনাম দেয়া হলো মার্কসবাদ এবং শিল্প। প্রবন্ধের লেখক ইস্ট লন্ডনে বসবাসকারী একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তিনি সমাজতান্ত্রিক লেখক এবং বক্তা। তিনি লন্ডন থেকে প্রকাশিত তাত্ত্বিক জার্নাল ইন্টারন্যাশনাল সোশ্যালিজমের সম্পাদনা বোর্ডের সদস্য। তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো The Women’s Revolution: Russia 1905–1917 (Haymarket, 2019), Rebellious Daughters of History (Redwords, 2020) ] শিল্প নিছক শ্বাশত সত্যকেই প্রকাশ করে না , যেটি পরিবর্তর্নশীল দুনিয়ার ওপর অনির্ভরশীল। শিল্প আকার পায় সমাজ দিয়ে। চিত্রকর্ম , ভাস্কর্য , সঙ্গীত অথবা কবিতাকে মহান করে কিসে ? দ্রুত এবং সর্বাগ্রে শিল্পকে অবশ্য...
পোস্টগুলি
পণ্যপুঁজা: যুডি কক্স
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
পণ্যপুঁজা মূল: জুডি কক্স অনুবাদ: স ম আজাদ [অনুবাদকের কথা: জুডি কক্সের মূল প্রবন্ধটির শিরোনাম What is commodity fetishism? প্রবন্ধটি লন্ডন থেকে প্রকাশিত Socialist Workerএ Friday 03 April 2026 -এর ইস্যু নং ৩০০০-এ ছাপা হয়। প্রবন্ধটির বাংলা অনুবাদে শিরোনাম দেয়া হলো পণ্যপুঁজা। জুডি কক্স দেখিয়েছেন পণ্যপুঁজা নিছক কেনা-কাটার ঝোঁক নয়। এর অর্থ জড় বস্তু এবং প্রতিষ্ঠানের ওপর মানব ক্ষমতার আরোপায়ণ যাতে আমাদের মনে হয় পণ্য মানব শ্রমের ফসল না হয়ে বরং আমাদের ওপর আধিপত্যশীল একটা সত্তা। প্রবন্ধের লেখক ইস্ট লন্ডনে বসবাসকারী একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তিনি সমাজতান্ত্রিক লেখক এবং বক্তা। তিনি লন্ডন থেকে প্রকাশিত তাত্তিক জার্নাল ইন্টারন্যাশনাল সোশ্যালিজমের সম্পাদনা বোর্ডের সদস্য। তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো: The Women’s Revolution: Russia 1905–1917 (Haymarket, 2019), Rebellious Daughters of History (Redwords, 2020) ] সিস্টেমকে অথবা এমনকি আমাদের জীবনকে পরিবর্তন করতে অনেক সময় আমরা অসহায় হয়ে পড়ি। সেই ক্ষমতাহীনতা বোধের একটি ব্যাখ্যা যাকে মার্কস বলেন পণ্য পুঁজা। পণ্যপু...
আমার নানা বাড়ি: বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সহাবস্থান স ম আজাদ
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
আমার নানা বাড়ি: বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সহাবস্থান স ম আজাদ আমার নানার নাম হাওয়ালদার কাসেম আলী ভুঁইয়া। ব্রিটিশ আমলে তিনি পুলিশ বিভাগে চাকরি শুরু করেন এবং পাকিস্তান আমলে অবসর নেন। চাকরিজীবনের সুবাদে তিনি ব্রিটিশ আমলের কয়েকজন রাজবন্দীর সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলেন। তাঁদের কাছ থেকেই তিনি সংস্কৃত শ্লোকের প্রাথমিক পাঠ নিয়েছিলেন। তাঁর কাছে অনেক সংস্কৃত শ্লোক শুনেছি ব্যাখ্যাসহ। নানার আদি বাড়ি ছিল মহেলা ভুঁইয়া বাড়ি। সংগীতের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ ছিল। তরুণ বয়সে তিনি ধ্রুপদী সংগীতের আসরে তবলা সংগত করতেন। তাঁর নিজের মুখেই শুনেছি, ধনবাড়ীর জমিদারবাড়ির সংগীত আসরেও তিনি গিয়েছেন তবলায় সংগত করতে। নানাকে যে বয়সে আমি দেখেছি তখন তাঁর হাতে আর তবলা সংগত করার স্ট্যামিনা ছিল না। কিন্তু তাঁকে আমি এসরাজ বাজাতে দেখেছি। মাগরিবের নামাজের পর তিনি এসরাজ হাতে বসতেন, আর এশার নামাজের আগ পর্যন্ত বাজাতেন। সাধারণত বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হলে সেই যুগে প্রায় মাসব্যাপী নানার বাড়ি থাকতাম আমরা। নানার এই সংগীত প্রেমের কিছুটা উত্তরাধিকার পেয়েছিলেন আমার চতুর্থ মামা—মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন, যাকে আমরা ভেবু মামা বলে ডাকতাম...