দেওয়ান ইউসুফ ভাই। বাড়ী সুরুজ, পুংলী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। আমার গ্রাম নওগাঁও, নদীর পূর্ব পাড়ে। আজ শুক্রবার, পবিত্র জুমা বার। এই দিনটি দেওয়ান ভাইদের বিশেষ দিন। তাই স্ত্রীর হাত ধরে টাঙ্গাইল এসেছেন অন্যান্য দিনের থেকে একটু রোজগারের আশায়। আমার সাথে দেখা টাঙ্গাইল ক্যাডেট স্কুলের পাশে। দশ টাকা দিলাম ওনাকে। এর মধ্যে আর একজন আসলেন, তাঁকে বিনীতভাবে ফেরত দিলাম। হুমায়ুন আহমেদের কোনো এক লেখায় পড়েছিলাম মাসের প্রথম সপ্তাহের থেকে শেষ সপ্তাহে মানুষ ভিক্ষা দেয় বেশী। অথচ মাসের প্রথম সপ্তাহে মানুষরে হাতে পয়সা থাকে, শেষ সপ্তাহের পয়সা থাকে না বললেই চলে। পয়সা হাতে থাকলে মানুষ কেনাকাটা-ভোগের সময় এদের বিরক্তির উপাদান হিসেবে মনে করে, শেষ সপ্তাহে পকেট অনেকটা ফাঁকা থাকলে তখন দরিদ্রদের প্রতি হয়তো মায়া লাগে। যাহেকা দুনিয়াকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে হলে ধনীমুক্ত করতে হবে। চুম্বকের অস্তিত্বের জন্য যেমন দুটি মেরূ অপরিহার্য, তানা হলে চুম্বকের অস্তিত্ব থাকবে না। তেমনি পুঁজিতন্ত্রের অস্তিত্বের জন্য ধনী-দরিদ্রের সহাবস্থান। কাজেই ফুকায়ামার ইতিহাসের অবসান নয় দরকার পুঁজিতন্ত্রের অবসান। ফুকায়ামা ৯০-এর দশকে বার্লিন দেয়...
পোস্টগুলি
মার্চ, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
চাষা হতে মন চায় স ম আজাদ
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
চাষা হতে মন চায় স ম আজাদ উৎসর্গ; আমার দাদাজান পৃথিবীতে এসেছেন। পুঁজিতন্ত্রের ভয়ংকর এক সময়ে যখন পৃথিবীর অধিকাংশ শিশুর বিকাশ অরক্ষিত, অনিরাপদ যুদ্ধ, খরা, দারিদ্র্য দিয়ে। আর পৃথিবীতে একা ভালো থাকা যায় না। দাদাজান সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর চার পাশ ভয়ংকররূপে ভোগবাদ, পণ্যপুঁজা, স্বার্থপরতা, বিভেদের সংস্কৃতি দিয়ে পরিবেষ্টিত। আমার প্রত্যাশা তার বেড়ে উঠার কালে ভোগবাদ, পণ্যপুঁজার প্রভাব কমে আসবে মানবিক সমাজ সমতাবাদের দিকে অগ্রসর হবে। 20- 05-2022 সবকিছু দেখেশুনে আমার চাচাজানের মত চাষা হতে মন চায়। যিনি সরল বিশ্বাসে কোন পথিক এলে আশ্রয় দিতেন, খাবার দিতেন। বয়োবৃদ্ধ বাজান-মাকে সেবা করতেন চাচাজান-চাচী মিলে কোনো ঘাটতি ছিল না আন্তরিকতার এখানে শিক্ষিতজন গ্রেডধারী, কুটিল, বিভেদকামী, দুর্নীতিগ্রস্ত ইহলৌকিক পণ্যকেন্দ্রীক জীবনযাপনে ধেয়ে চলে গয়না-বিক্রয় করে যে মা পড়ার টাকা জোগায় সারা সপ্তাহ জুড়ে ছেলের পছন্দের মাছ-খাঁটি দুধ অন্যান্য সদাইপাতি মা পাটের বস্তায় ভরেন ছেলের বাসায় নিয়ে যাবেন বলে অসুস্থ মা ঢাকার বাস-স্টপে নামেন বস্তা নিয়ে। ফোন করে বায়না ধরেন যেন ছেলে গাড়ি দিয়ে মাকে নিয়ে যায় অপেক্ষায় থেক...