পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আমার নানা বাড়ি: বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সহাবস্থান স ম আজাদ

আমার নানা বাড়ি: বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সহাবস্থান  স ম আজাদ    আমার নানার নাম হাওয়ালদার কাসেম আলী ভুঁইয়া। ব্রিটিশ আমলে তিনি পুলিশ বিভাগে চাকরি শুরু করেন এবং পাকিস্তান আমলে অবসর নেন। চাকরিজীবনের সুবাদে তিনি ব্রিটিশ আমলের কয়েকজন রাজবন্দীর সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলেন। তাঁদের কাছ থেকেই তিনি সংস্কৃত শ্লোকের প্রাথমিক পাঠ নিয়েছিলেন। তাঁর কাছে অনেক সংস্কৃত শ্লোক শুনেছি ব্যাখ্যাসহ। নানার আদি বাড়ি ছিল মহেলা ভুঁইয়া বাড়ি। সংগীতের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ ছিল। তরুণ বয়সে তিনি ধ্রুপদী সংগীতের আসরে তবলা সংগত করতেন। তাঁর নিজের মুখেই শুনেছি, ধনবাড়ীর জমিদারবাড়ির সংগীত আসরেও তিনি গিয়েছেন তবলায় সংগত করতে। নানাকে যে বয়সে আমি দেখেছি তখন তাঁর হাতে আর তবলা সংগত করার স্ট্যামিনা ছিল না। কিন্তু তাঁকে আমি এসরাজ বাজাতে দেখেছি। মাগরিবের নামাজের পর তিনি এসরাজ হাতে বসতেন, আর এশার নামাজের আগ পর্যন্ত বাজাতেন। সাধারণত বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হলে সেই যুগে প্রায় মাসব্যাপী নানার বাড়ি থাকতাম আমরা। নানার এই সংগীত প্রেমের কিছুটা উত্তরাধিকার পেয়েছিলেন আমার চতুর্থ মামা—মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন, যাকে আমরা ভেবু মামা বলে ডাকতাম...

বিপন্ন বোধে ও বিস্ময়ে

 বিপন্ন বোধে ও বিস্ময়ে চারদিকেতো মানুষই দেখি বোমারু বিমানের আঘাতে মানবিকতার মৃত্যুই দেখি। বলপ্রয়োগে কী আমেরিকাকে আবার গ্রেট বানানো যাবে হে ক্লাউন হে  বলপ্রয়োগকারী অধিপতি! বলপ্রয়োগে ভিলেন হওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা পাওয়া যায় না কার্পেট বোম্বিংএ মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া যায় কিন্তু পরাজিত করা যায় না হে ইয়াংকি-ঈশ্বর।